ব্যাটারিচালিত তিন চাকার অটোরিকশা ও ইজিবাইক বন্ধের দাবি আজ নতুন কোনো জাতীয় আলোচিত বিষয় নয়। আওয়ামী লীগ সরকার পেরিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং এরপর নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় বসেছে। বিগত দুই সরকারের শাসনামলে প্রশাসনের নির্দেশে কঠোরভাবে মহানগরগুলোতে অটোরিকশা চলাচল বন্ধের চেষ্টা করা হয়েছে। এমনকি সে সময় কয়েক হাজার ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও রিকশা ভেঙে চুরমার করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এর প্রতিবাদে রিকশা শ্রমিক প্রতিনিধিরা রাজপথে নামার আহ্বান জানালে সরকার পুলিশি শক্তি কাজে লাগিয়ে একদিকে আন্দোলন পণ্ড করে দিয়েছে, অন্যদিকে স্বৈরাচারী কায়দায় সেই প্রতিনিধিদের জেলে আটকে রেখেছে।বর্তমান সরকারের শাসনকালেও আবার নতুন করে বিষয়টি আলোচনায় আসছে। বিগত সময়গুলোতে প্রতিটি চেষ্টায় সরকার প্রশাসনিক শক্তি কাজে লাগিয়েও সফল হতে পারেনি। তাদের এই ব্যর্থতার পেছনে রয়েছে অনেকগুলো যৌক্তিক কারণ, যা মোকাবিলা করার মতো সক্ষমতা কোনো সরকারেরই ছিল না।ব্যাটারিচালিত যানবাহন বন্ধের পক্ষে যারা অবস্থান নিয়ে আসছেন, তাঁদের বেশিরভাগই আমাদের মতো সাধারণ নাগরিক নন। অর্থনীতির ভাষায় তাঁদের নিম্নবিত্ত বা নিম্ন-মধ্যবিত্ত হিসেবেও ধরা যায় না। তাঁরা রাস্তায় কার, মাইক্রোবাস কিংবা হাইস নিয়ে বের হলে সবার প্রথমে যে সমস্যার মুখোমুখি হন, সেটিই হলো অটোরিকশাজনিত যানজট। তাই নিজেদের প্রয়োজনে এর বিপক্ষে অবস্থান নেওয়াটাই তাঁদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক।
যানজটের দায় কার— ব্যাটারিচালিত রিকশার, নাকি রাষ্ট্রের বেকারত্বের?
পাঠকের মতামত
মন্তব্য ১
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন
পথিক নেটওয়ার্কআমাদের অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম
আপনার জন্য
সম্পর্কিত বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচিত
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার আহ্বান
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ভোট গণনায় এগিয়ে নেতানিয়াহুর জোট, ক্ষমতার পথে এখনো অনিশ্চয়তা
৩ দিন আগে

দারুন হয়েছে