কিছু মানুষ সময়ের সন্তান, আর কিছু মানুষ সময়কে অতিক্রম করে কিংবদন্তিতে পরিণত হন। উত্তম কুমার সেই বিরল দ্বিতীয় শ্রেণির মানুষ। পর্দার আলো নিভে গেছে বহু বছর আগে, বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালি সময়ও আজ ইতিহাস; তবু উত্তম কুমারের নাম উচ্চারিত হলে বাঙালির মনে যে আলো জ্বলে ওঠে, তার কোনো মেয়াদ নেই। তিনি শুধু একজন অভিনেতা নন— তিনি বাঙালির প্রেম, স্বপ্ন ও সাংস্কৃতিক স্মৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।শতবর্ষে দাঁড়িয়ে তাই প্রশ্নটি আরও প্রাসঙ্গিক— সময়ের এতটা পথ পেরিয়ে উত্তম কুমার আজও কেন এত আপন? সময় বদলেছে, সিনেমার ভাষা বদলেছে, দর্শকের রুচিও বদলেছে। বিনোদনের মাধ্যমের বিস্তার ঘটেছে অকল্পনীয়ভাবে। তবু উত্তমের অভিনয় আজও দর্শককে থামিয়ে দেয়। কারণ, তাঁর জনপ্রিয়তার ভিত শুধু সুদর্শন চেহারা কিংবা রোমান্টিক নায়কের ইমেজে নির্মিত ছিল না; এর গভীরে ছিল অভিনয়ের এক স্বতন্ত্র ব্যাকরণ, পর্দায় উপস্থিত থাকার এক অনন্য ক্ষমতা। তিনি দর্শককে শুধু গল্পের সঙ্গে যুক্ত করতেন না, চরিত্রের অনুভূতির মধ্যেও টেনে নিয়ে যেতেন।
শতবর্ষে দাঁড়িয়ে তাই প্রশ্নটি আরও প্রাসঙ্গিক
পথিক নেটওয়ার্কআমাদের অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম
আপনার জন্য
সম্পর্কিত বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচিত
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরাইলের স্বাস্থ্যসেবায় অনিয়মের অভিযোগ: চিকিৎসক সংকট, দুই বছর ধরে অচল জেনারেটর
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যানজটের দায় কার— ব্যাটারিচালিত রিকশার, নাকি রাষ্ট্রের বেকারত্বের?
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।